my experience

করেছো কি ?

যখন আমরা ছোট ছিলাম ,বেশ কিছু #বোকামির কাজ করেছি যেগুলো এখনকার বাচ্ছাদের কাছে হয়তো একেবারেই অজানা। আমাদের তখন স্মার্টফোন ছিল না , টিভিতে অনেক চ্যানেল ছিল না ,#ইন্টারনেট কানেকশন ছিল না তবে ছিল নিজের মতো আনন্দ জুটিয়ে নেবার অফুরন্ত সুযোগ আর সময়। নিজেদের কল্পনার সাহায্যে আনন্দে থাকার চেষ্টা করতাম। এইরকমই বেশ কিছু জিনিস যা আমরা বিশেষ করে আমি করতাম তার কিছু নমুনা জানাই চলো ……………

#বালির গাদা খুঁড়ে অথবা মাটি খুঁড়ে জিনিস রাখা ছিল অন্যতম। জিনিস বলতে দামি যা কিছু আর সে গুলো হলো ভালো লাগা চকোলেটের প্যাকেট , সুন্দর গন্ধযুক্ত ফুল আর পছন্দের খেলনার ভাঙা অংশ। ছিল মার্বেল ও। এই লকারের হদিশ যদি কেউ কাউকে দিয়ে দিতো তবে তা বিশ্বাসঘাতকতার সমান হতো।

#ডায়াল করা ফোনের নম্বর ঘুরানো ছিল আমাদের অন্যতম শখ। আর বাড়ির লোকেদের লুকিয়ে করাটা ছিল এডভেঞ্চার। ফোনবুকের নম্বর দেখে ডায়াল করা অথবা নিজের মনে বানিয়ে নিয়ে ডায়াল করা দুটোই করা হতো বেশিবেশি। অনেক সময় ডায়াল করে অন্যদিকে হ্যালো শব্দ শুনে তাকে টিভি চালিয়ে শোনানো হতো।

#প্লাস্টিকের কাপ বা গ্লাস পেলে সেটিকে হাওয়া টেনে মুখের মধ্যে আটকে রাখা আমাদের প্রিয় খেলা ছিল। প্রতিযোগিতা চলতো কে কতক্ষন বা কত বেশি ওই রকম করতে পারে। একজনের তো মুখের মধ্যে লাল রঙের গোল দাগ হয়ে গিয়েছিলো যা মেলাতে তিনদিন লেগেছিলো।

#পাতলা প্লাস্টিকের স্কেলকে একটা পেনের আঁকশির মধ্যে আটকে তাকে ছোট প্লেনের মতো করে উড়ানোর চেষ্টা আমরা প্রায় সবাই করেছি। স্কুলের ক্লাসে তো আরো বেশি করেছি।

#ইরেজার বা পেন্সিলের রেখা মোছার জিনিসটায় আমরা কম কারিকুরি করিনি। সবথেকে বেশি হতো ওর মধ্যে পেন্সিল দিয়ে ফুটো করা। আর অন্যতম হবি হলো ঐটুকু জায়গায় পেন্সিল দিয়ে নানা ছবি , ম্যাপ ইত্যাদি আঁকা। এগুলো না করলেও অন্তত নামটা লিখতে কেউ পিছুপা হতো না।

#অবসর সময়ে নোটবুকে কিছু না কিছু ছবি আঁকা একটা ভালো শখ ছিল। যারা ভালো আঁকতে পারতো না তাদের মুখ দেখে তখন মনে হতো বুঝি জীবনটাই বৃথা।

#দেয়ালের মধ্যে ইঁটের যে খাঁজ কোথাও দেখতে পাওয়া গেলে আনন্দে তার মধ্য দিয়ে আঙ্গুল চালানো খুব পছন্দের বিষয় ছিল। এমনি করতে হাত টা কোথা থেকে কোথায় এসে পৌঁছাতো তা দেখে ভালো লাগতো।

#লম্বা পাঁপড় খাবার সময় প্রতিটি আঙুলে একবার না ঢুকিয়ে খেলে মজাই লাগতো না।
আর আমি বিশেষ করে যা করতাম তা হলো ফুলের পাপড়ি দিয়ে লম্বা নখ বানানো যা দেখে মনে হতো সুন্দর নেলপলিস লাগানো আছে।

#বাড়িতে মা-বাবা খুব বেশি বকাবকি করলে কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পরা অথবা কল্পনা করা দূরে যাওয়ার ভ্রমণে।

আচ্ছা , এইগুলো যে এতক্ষন বললাম কেন বলতো ? আসলে আমরা #ছোটোবেলাটাকে যদি এখনো এমনি করেই জীবন্ত করে রাখি আমাদের মধ্যে তাহলে দেখবে কি #মজাটা এখনো লুকিয়ে আছে।

Tagged

About Antara Samanta

Myself is Antara Samanta, a wanna be writer in homemaking style with an idea to embrace the indifference in a classy dynamic way. Antara is passionate about reading,singing and writing-in that way.
View all posts by Antara Samanta →

Leave a Reply