useful things

রঙের আমি রঙের তুমি

কে কোন রঙের পোশাক পড়বে সেটা সকলেরই বক্তিগ্যত পছন্দের উপর নির্ভর করে |তবে কে কেমন রং পছন্দ করে সেটা অনেক সময় তার ব্যক্তিত্বের দিক নির্দেশ করে | দেখো তো তুমি কি রং পছন্দ করো আর তার সাথে তোমার স্বভাব কি হতে পারে ,যেমন :

লাল রং- যারা লাল রং বেশি পছন্দ করে তারা সাধারণত উদ্যমী হয়, আশাবাদী হয় , সাহসীও হয় | জীবনে বেঁচে থাকার খিদে তাদের বেশি তাই তারা পঞ্চেন্দ্রিয় দিয়েই জীবনকে উপভোগ করতে চায় | তবে তাদের সন্তুষ্ট করতে যাওয়া বোকামি মানে তারা লোভী ধরণের |

গৌরিক বা কমলা রং- যাদের পছন্দের রং কমলা তারা ভীষণ সামাজিক,বন্ধুত্বপূর্ণ হয় | সকলের সাথে ভালোভাবে মিশে নিজেকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে চায় | কিন্তু কখনো কখনো তা নাহলে অবসাদগ্রস্তও হয়ে পরে |

হলুদ রং- তুমি যদি হলুদ রং পছন্দ করো তবে তোমি খুবই যুক্তিবাদী মননের,হাসিখুশি | এমনকি প্রতিদিনের সাধারণ জীবনেও যুক্তি খুঁজে শুরু করে দাও | নতুন চিন্তা-ভাবনায় মৌলিকত্ব প্রকাশ করতে চাও | তবে অল্পেতেই হতাশ হয়ে পড়াটাও আটকাতে পারো না |

সবুজ রং- এই রং যারা ভালোবাসে তাদের মনটা সবসময় সবুজ মানে চিরনবীন থাকতে চায় | তারা ভালোবাসার কাঙাল,মহৎ আর সহানুভূতিপূর্ণ | তারা সবসময় নিরাপদে থাকতে চায় | সকলের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেতে চায় তা ছোট্ট “ধন্যবাদ” হলেও চলবে | আর তা নাহলে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে |

নীল রং- যারা নীল রঙের ভক্ত তারা ভীষণ আত্মানুসন্ধানী হয় | অন্তরের শান্তি , সততাকে তারা গুরুত্ব দেয় | গোঁড়ামি মনোভাবী এরা তবে খুব বিশ্বাসযোগ্য হয় |কাউকে খুশি করতে নিজেদের আদশ, বিশ্বাসকে তারা জলাঞ্জলি দেয় না | ফলত মাঝে মাঝে তারা বেশ একগুঁয়েমি হয়ে পরে আর এতে অন্যদের সঙ্গে মানিয়ে চলতে অসুবিধা হয় |

ইন্ডিগো বা ধুম্রনীল রং- যারা এই রং বেশি পছন্দ করে তারা আসলে এই বিশ্বকেই ভালোবাসে | মানুষজন, গাছপালা, পশুপক্ষী সকলের সাথে এক ঐক্যতান খুঁজে পায় | সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকতে চায় | অন্যকে সহজেই বুঝতে পারে |তাদের অন্তর্জ্ঞান তাদেরকে আধ্যাত্মিক পথে নিয়ে যেতে সাহায্য করে |

বেগুনি রং- এই রঙের পছন্দকারী মানুষজন আবেগের নিরাপত্তা চায় তাই অল্পেতেই ভাবালু হয়ে পরে | জীবনের সবকিছুতেই উৎকর্ষ খোঁজে , যা হতে হবে খুঁতহীন | তবে অন্য মানুষকে সাহায্য করার জন্য একটা হাত বাড়িয়েই রাখে|

গোলাপি রং- এটাকে প্রেমের রং বলা হয়ে থাকে| যাদের মন প্রেমিকসুলভ , সকলকেই আপন করতে চায়, সকলের মধ্যেই ভালোবাসা বিলোতে চায় তারা | তাও আবার নিঃশর্তে |

তুঁতে রং- যদি তোমার প্রিয় হয় এই রং তবে তুমি জীবনে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে চাও | আবেগ আর যুক্তি, স্বপ্ন আর আশা দুদিকে রেখে লক্ষ্যের পথে এগিয়ে চলা তোমার কাজ | নিজের জীবন নিজস্ব ভাবের গড়ে তুলতে চাও তুমি |সহজেই অন্যের সাথে কথাবার্তা বলতে পারো|

ম্যাজেন্টা রং- যারা এই রং ভালোবাসে তারা সকলের থেকে নিজেকে আলাদা ভাবতে চায় | নাকউঁচু স্বভাবের বলা যায় তাদেরকে |জীবনকে অন্যরকম দিক থেকে দেখে তারা |কল্পনাপ্রিয় আর সৃষ্টিশীল সাথে সুন্দরের পূজারী |

বাদামি রং- এই রঙের পছন্দকারী ভীষণ সহজ-সরল হয় | নিরাপদ জীবন তাদের কাম্য সাথে আরামপ্রদ লাইফস্টাইল | বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করে এরা |নিরপেক্ষ জীবন কাম্য এদের

কালো রং-বলা হয় এই রং কারোর শক্তি , ক্ষমতা দেখানোর মনোভাবকে প্রকাশ করে | খুব দৃঢ মনোভাবী |
এরা অন্যের জীবনকেও নিজেদের হাতে তৈরী করতে চায় | আসলে এরাও মানসিকভাবে কিছুটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে |

সাদা রং- যদি তুমি সাদা রং ভালোবাসো তবে তুমি খুবই শান্তিপ্রিয় মানুষ | তবে ভীষণ স্বাধীনতা প্রিয় | মিজের মতামতকেই গুরুত্ব দাও আর অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকা পছন্দ করো না বিশেষ করে আবেগের দিক থেকে | আত্মবিশ্বাসী ধরণের এই মানুষদের মনের জোর বেশি থাকে |দূরদৃষ্টিও খুব এদের |

ধূসর রং- এই রং যারা পছন্দ করে তারা জীবনে সবার সাথে মানিয়ে চলতে চায় | ধীরস্থির , শান্ত প্রকৃতির হয় এই মানুষজন | শীতল মনোভাবের জন্য তাদের ধৈর্য বেশি হয় | অন্তর্মুখী ধরণের এই মানুষজন জীবনের সবকিছুতে মধ্যপন্থা নিয়েই চলতে চায় |

রুপালি রং- তুমি যদি এই রং পছন্দ করো তবে তোমার অন্তর্দৃষ্টি প্রখর | কোনো কিছু করার আগেই তার পরিণাম তোমার সামনে আয়নার মতো চলে আসে | আধ্যাত্মিক পথে চলতে চাইলে সহজেই এগিয়ে যেতে পারে এরা |

সোনালী রং – এই রঙের পছন্দকারীরা অন্য সবার থেকে আলাদা হিসাবে নজর করে | তাদের ব্যক্তিত্ব প্রখর হয় | সব কাজেই মৌলিকত্ব রেখে চলতে পছন্দ করে | তাদের স্বভাবের চমৎকারিত্ব সহজেই অন্যদের আকর্ষণ করে আর তাদের সঙ্গ ও অনেকেই পছন্দ করে থাকে |

ফটো : গুগল
তথ্য :দা কালারোপসন .কম

About Antara Samanta

Myself is Antara Samanta, a wanna be writer in homemaking style with an idea to embrace the indifference in a classy dynamic way. Antara is passionate about reading,singing and writing-in that way.
View all posts by Antara Samanta →